ঢাকা, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬ ৬ বৈশাখ ১৪৩৩
 
শিরোনাম

গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবি

অনশনকারীদের শারীরিক অবস্থার অবনতি, ছুটে গেলেন ঢাবি উপাচার্য

অনলাইন ডেস্ক
১০ এপ্রিল, ২০২৬ ২৩:৫৪
অনলাইন ডেস্ক
অনশনকারীদের শারীরিক অবস্থার অবনতি, ছুটে গেলেন ঢাবি উপাচার্য

জুলাই সনদ ও গণভোটের রায় বাস্তবায়নসহ তিন দফা দাবিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে অনশনরত শিক্ষার্থীদের শারীরিক অবস্থার অবনতি হয়েছে। অনশনের ৫৭ ঘণ্টা পেরিয়ে যাওয়ার পর অসুস্থ শিক্ষার্থীদের খোঁজ নিতে শুক্রবার রাতে সেখানে ছুটে যান উপাচার্য অধ্যাপক ড. এবিএম ওবায়দুল ইসলাম। তবে দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত অনশন চালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্তে অনড় রয়েছেন শিক্ষার্থীরা।

শুক্রবার রাত ১০টা ৪০ মিনিটে উপাচার্য রাজু ভাস্কর্যে গিয়ে অনশনরত তিন শিক্ষার্থীর সঙ্গে কথা বলেন। তার সঙ্গে ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক সায়মা হক বিদিশা, প্রক্টর সহযোগী অধ্যাপক ড. সাইফুদ্দিন আহমেদসহ প্রশাসনের কর্মকর্তারা।

শিক্ষার্থীদের তিন দফা দাবির মধ্যে রয়েছে– জুলাই সনদ ও গণভোটের রায় বাস্তবায়ন, গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকারসহ গুরুত্বপূর্ণ অধ্যাদেশগুলো সংসদে বিল আকারে উত্থাপন।

অনশনরত শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে উপাচার্য বলেন, “আমি এখানে তোমাদের অভিভাবক হিসেবে এসেছি, সরকারের কেউ হিসেবে নয়। তোমাদের এই মেসেজগুলো আমি সরকারের কাছে পৌঁছে দেব। তবে আমি আবারও বলছি, এটি একটি রাজনৈতিক ইস্যু এবং এর ফয়সালা সংসদে হবে, বিশ্ববিদ্যালয়ের অঙ্গনে নয়। আমার শিক্ষার্থীরা অসুস্থ থাকুক, সেটা আমি চাই না। তাই আমি তাদের দেখভাল করতে এসেছি এবং গতকাল ডাক্তারও পাঠিয়েছিলাম। আমি আশা করি, আমার শিক্ষার্থীরা অনশন ভেঙে আমার সঙ্গে বাসায় ফিরে যাবে।”

এ সময় অনশনকারীদের পক্ষে বক্তব্য দেন শেখ মুস্তাফিজ। তিনি বলেন, “আমি শেখ মুস্তাফিজ। ১৮ জুলাই নর্দান বিশ্ববিদ্যালয়ে আন্দোলনকালে গুলিবিদ্ধ হয়েছিলাম। আমাদের জীবনে কোনো কিছুর অভাব ছিল না, এত দীর্ঘ সময় হাসপাতালে কষ্ট করারও দরকার ছিল না। কিন্তু আমরা কাঠামোগত পরিবর্তনের জন্য আন্দোলনে নেমেছিলাম। বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা কখনো রাজনৈতিক বিষয়ে এতটা সম্পৃক্ত হয়নি। কিন্তু এবারের জুলাই অভ্যুত্থানে প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ৩৭ জন এবং পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১২ জন শহীদ হয়েছেন। নৈতিক দায়বদ্ধতা থেকেই আমরা স্বৈরাচার পতনের আন্দোলনে যুক্ত হয়েছিলাম।”

উপাচার্যের বক্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় অনশনকারী মো. সাদিক মুনওয়ার মুনেম বলেন, “স্যার, আমি আপনাকে বিনয়ের সঙ্গে প্রত্যাখ্যান করছি। কারণ আপনি এটাকে রাজনৈতিক ইস্যু বলছেন, কিন্তু এটি গণমানুষের দাবি। আমরা এর নিন্দা জানাচ্ছি। এটি মানবাধিকারের ইস্যু। আপনি আপনার নৈতিক দায়বদ্ধতার জায়গা থেকে আমাদের সঙ্গে বসে থাকুন এবং সরকারকে জানান, যাতে এগুলো বাস্তবায়ন করা হয়। আপনি চলে যাবেন না।”

অনশনস্থল ত্যাগের আগে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে উপাচার্য জানান, তিনি শিক্ষার্থীদের অনশন ভাঙার জন্য অনুরোধ করেছেন এবং তাদের দাবিগুলো সরকারের কাছে পৌঁছে দেবেন।

উপাচার্য চলে যাওয়ার পর মুনেম ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “আমরা প্রায় ৫৭-৫৮ ঘণ্টা ধরে অনশন করছি। এত সময় পর উপাচার্য মহোদয় ক্যাম্পাসে এলেন। তিনি আমাদের বাবার মতো, কিন্তু এখানে এসে মাত্র দুই-তিন মিনিট অপেক্ষা করে চলে গেলেন। তার আচরণ দেখে মনে হয়েছে, তিনি আমাদের মৃত্যু কামনা করতে এসেছেন। আমাদের দাবির প্রতি তিনি ন্যূনতম শ্রদ্ধাশীল ছিলেন না; বরং বারবার এটিকে রাজনৈতিক দাবি বলে এড়িয়ে গেছেন।”

প্রসঙ্গত, গত বুধবার (৮ এপ্রিল) বিকেলে ঢাবির মুক্তিযোদ্ধা জিয়াউর রহমান হল সংসদের কার্যনির্বাহী সদস্য মো. সাদিক মুনওয়ার মুনেম প্রথমে অনশনে বসেন। পরে তার সঙ্গে যোগ দেন ঢাবির ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী সাকিবুর রহমান এবং নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ইকবাল হোসেন শাহীন।

এদিকে মেডিকেল টিম অনশনকারীদের শারীরিক পরীক্ষা করে জানিয়েছে, তাদের বর্তমান অবস্থা আশঙ্কাজনক। অনশন অব্যাহত থাকলে তাদের শারীরিক অবস্থার আরও অবনতি হতে পারে।

প্রাসঙ্গিক
    মন্তব্য

    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন ভিসি হলেন ড. এবিএম ওবায়দুল ইসলাম

    অনলাইন ডেস্ক
    ১৬ মার্চ, ২০২৬ ১৭:২৭
    অনলাইন ডেস্ক
    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন ভিসি হলেন ড. এবিএম ওবায়দুল ইসলাম

    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) নতুন ভাইস চ্যান্সেলর (ভিসি) হয়েছেন পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম। এর আগে বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন তিনি।

    আজ সোমবার (১৬ মার্চ) বিকেল ৪টার পর শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে এক ব্রিফিংয়ে এ ঘোষণা দেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

    সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষামন্ত্রী জানান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের  ভিসি হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন অধ্যাপক ড. এবিএম ওবায়দুল ইসলাম, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপক রইস উদ্দিন, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ে ছিদ্দিকুর রহমান খান, ঢাকা সেন্ট্রাল বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপক নুরুল ইসলাম এবং খুলনা প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুয়েট) অধ্যাপক মোহাম্মদ মাসুদ ভিসি হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন।

    এ ছাড়াও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপক মো. আল ফোরকান ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ভিসি হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন অধ্যাপক ফরিদুল ইসলাম।

    অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম সর্বশেষ বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের  ভিসি হিসেবে দায়িত্বে ছিলেন। ইউনিভার্সিটি টিচার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ইউট্যাব) সভাপতি পদে রয়েছেন তিনি। এ ছাড়া ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে বিএনপিপন্থী শিক্ষকদের সংসগঠন সাদা দলের সাবেক আহবায়ক ছিলেন।

    প্রাসঙ্গিক
      মন্তব্য

      ইউজিসি চেয়ারম্যান অধ্যাপক এসএমএ ফায়েজের পদত্যাগ

      অনলাইন ডেস্ক
      ১৬ মার্চ, ২০২৬ ১৫:১৩
      অনলাইন ডেস্ক
      ইউজিসি চেয়ারম্যান অধ্যাপক এসএমএ ফায়েজের পদত্যাগ

      বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. এসএমএ ফায়েজ পদত্যাগ করেছেন।

      সোমবার (১৬ মার্চ) সকালে তিনি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে পদত্যাগপত্র পাঠিয়েছেন। শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং ইউজিসি সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

      এর আগে ইউজিসি চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. এসএমএ ফায়েজকে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়ার গুঞ্জন উঠে। একই সঙ্গে দেশের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য পদেও পরিবর্তন আসতে পারে বলে জানান শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

      জানা যায়, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) নেতৃত্বাধীন জোট সরকারের আমলে ২০০২ সালের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ২৬তম উপাচার্য পদে নিয়োগ পান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মৃত্তিকা, পানি ও পরিবেশ বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত এই অধ্যাপক। বিশ্ববিদ্যালয়ের তৎকালীন আচার্য ও রাষ্ট্রপতি ড. ইয়াজ উদ্দিন আহমেদ তাকে এ নিয়োগ দেন। ২০০২ সালের ২৩ সেপ্টেম্বর উপাচার্য হিসেবে সাময়িক সময়ের জন্য নিয়োগ পেয়ে দীর্ঘ ৬ বছর ধরে এ গুরু দায়িত্ব পালন করেন তিনি। এর আগে ড. ফায়েজ ‘বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন’-এর ষষ্ঠ চেয়ারম্যান ছিলেন। তিনি ১৯৯৩ সালের ৭ মার্চ থেকে ৫ মার্চ ১৯৯৮ সাল পর্যন্ত পাঁচ বছর পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেন। 

      প্রাসঙ্গিক
        মন্তব্য

        শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, বিদেশি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে অ

        বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় আইন পর্যালোচনা হচ্ছে: শিক্ষামন্ত্রী

        অনলাইন ডেস্ক
        ৮ মার্চ, ২০২৬ ১৭:১৮
        অনলাইন ডেস্ক
        বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় আইন পর্যালোচনা হচ্ছে: শিক্ষামন্ত্রী

        শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, বিদেশি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে অন্তর্ভুক্ত করতে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় আইন পর্যালোচনা হচ্ছে। রোবাবর (৮ মার্চ) বাংলাদেশে নিযুক্ত কানাডার হাইকমিশনার অজিত সিং’র সঙ্গে একটি বৈঠকে শিক্ষামন্ত্রী একথা বলেন। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ দপ্তরের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

        বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বৈঠকে শিক্ষা, দক্ষতা উন্নয়ন এবং প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষার ক্ষেত্রে দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা জোরদারের বিভিন্ন সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা হয়। বৈঠকে উভয় পক্ষ শিক্ষা ও উন্নয়ন খাতে বাংলাদেশ ও কানাডার দীর্ঘদিনের অংশীদারিত্ব পুনর্ব্যক্ত করা হয়। বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর থেকেই কানাডা একটি গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়ন সহযোগী হিসেবে শিক্ষা, দক্ষতা প্রশিক্ষণ এবং প্রাতিষ্ঠানিক উন্নয়নে উল্লেখযোগ্য অবদান রেখে আসছে বলে তুলে ধরা হয়। আলোচনায় বাংলাদেশে মানসম্মত শিক্ষার ক্রমবর্ধমান চাহিদার বিষয়টি গুরুত্ব পায় এবং কানাডা ও বাংলাদেশের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের মধ্যে আরও গভীর সহযোগিতার সুযোগ নিয়ে মতবিনিময় হয়।

        সরকার প্রাইভেট ইউনিভার্সিটি আইন কাঠামো পর্যালোচনা করছে। যাতে স্বনামধন্য বিদেশি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে অন্তর্ভুক্ত করার সুযোগ তৈরি হয় এবং একই সঙ্গে এসব প্রতিষ্ঠানে যথাযথ একাডেমিক মান ও অবকাঠামো বজায় থাকে বলে কানাডার হাইকমিশনারকে জানান শিক্ষামন্ত্রী। তিনি উল্লেখ করেন, সক্ষমতা বৃদ্ধি, পেশাগত প্রশিক্ষণ এবং জ্ঞান বিনিময়ে সহায়ক এমন অংশীদারিত্বকে বাংলাদেশ স্বাগত জানায়। দক্ষতা উন্নয়ন এবং কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ (টিভিইটি) ব্যবস্থাও আলোচনার গুরুত্বপূর্ণ বিষয় ছিল।

        প্রাসঙ্গিক
          মন্তব্য

          কর্মকর্তাদের ছবি-নম্বর দিয়ে প্রতারণা, সতর্ক করলো শিক্ষা মন্ত্রণালয়

          অনলাইন ডেস্ক
          ৮ মার্চ, ২০২৬ ১৩:৩২
          অনলাইন ডেস্ক
          কর্মকর্তাদের ছবি-নম্বর দিয়ে প্রতারণা, সতর্ক করলো শিক্ষা মন্ত্রণালয়

          বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, কিছু অসাধু ব্যক্তি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের ছবি ব্যবহার করে এবং ভুয়া মোবাইল নম্বর থেকে বিভিন্ন ব্যক্তির নিকট অর্থ দাবি করছে। বিষয়টি সম্পূর্ণ প্রতারণামূলক এবং এর সঙ্গে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কোনো ধরনের সংশ্লিষ্টতা নেই।

          এতে বলা হয়, সংশ্লিষ্ট সবাইকে এ ধরনের প্রতারণামূলক ফোন কল, মেসেজ বা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের যোগাযোগে বিভ্রান্ত না হওয়ার জন্য অনুরোধ করা যাচ্ছে। কোনো অবস্থাতেই ভুয়া নম্বরে অর্থ প্রদান বা ব্যক্তিগত তথ্য প্রদান থেকে বিরত থাকার জন্য বিশেষভাবে সতর্ক করা হচ্ছে।

          শিক্ষা মন্ত্রণালয় বিষয়টি গুরুত্বসহকারে পর্যবেক্ষণ করছে এবং প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে বলেও মন্ত্রণালয়ের বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়।


           

          প্রাসঙ্গিক
            মন্তব্য
            সর্বশেষ সংবাদ
              সর্বাধিক পঠিত